Posts

২০২৪ এর রণবীর ছাত্র সমাজক

 ★২১.০৭.২০২৪★ আজ তিনদিন হলো ইন্টারনেট কানেকশন নেই। মূলত ১৮ তারিখ (বৃহস্পতিবার)  রাত থেকে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনলাইন নিউজ গুলো পাচ্ছি না।কার্ফিউ জারি করেছে সরকার তাই বাহিরে ও বের হওয়ার কোনো অবস্থা নেই। দেশের অবস্থা ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ ছিল পাকিস্তানের সাথে। এই রণক্ষেত্র নিজ দেশে, সারা দেশের ছাত্র আন্দোলন বনাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্লাস ছাত্রলীগ প্লাস স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি।কোটা সংস্কারের জন্য  ছাত্ররা রাজপথে তাদের মেধার অধিকার চেয়ে আন্দোলন করছে। তারা শাহবাগ এ বেশকিছু দিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছিল। এই আন্দোলনের কারণে রাস্তায় জ্যাম, জনজীবনের জন্য এটা একটা ভালো রকমের যন্ত্রণা। যদিও জ্যাম বাংলাদেশের একটি কমন সমস্যা।  এত রাস্তাঘাটের উন্নয়ণ হলো তবুও নগরবাসী জ্যাম থেকে মুক্তি পেলো না।এর মাঝে শুরু হয়েছে এইচ এসসি পরীক্ষা। কেন্দ্রে যাতায়াতে পরিক্ষার্থীদের ভালোই বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। এই বিষয়ে সতর্ককরে এক আন্দোলনকারী তার ফেসবুকে পোস্ট করেছে এই লিখে, সকালে যারা মিছিল সমাবেশ করবেন প্লিজ, সকাল দশটার আগে কোনো গাড়ি আটকাবেন না। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষ...
 মুসলিম জাহানের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং! ঈদের আগের দিন খলিফা উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’। আরব জাহানের শাসক খলিফা উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’। পরে খলিফা উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন। সমগ্র মুসলিম জাহানের খলিফা যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে। প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না? দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’ চিঠি পাঠ করে খলিফা উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্...
 ইচ্ছে করে বুকের তরে  জড়িয়ে রাখি আষ্ঠেপৃষ্ঠে 

★ক্যানভাস★

কানে ভেসে আসে, নদীর কলকল ধ্বনি অস্পষ্ট শুনি, নদীকে শুধাই,একটু পানি দেবে, জল রঙে ক্যানভাস সাজাবো যে ছবি মনের ক্যানভাসে আঁকি তা রঙতুলি দিয়ে আঁকতে হয় না, গাছের পাতার মর্মর ধ্বনি শুনি,ছন্দে ছন্দে বাজে পাতাকে শুধাই,তোমার সবুজ কোথায়? আমায় একটু দেবে? হৃদয় ক্যানভাসে যে ছবি এঁকেছি  সেথায় কিছুটা ছোঁয়াবো।  পুষ্পকাননে ভ্রমরের আনাগোনা,  আলোমেখে জোনাকিরা করে খেলা গাঢ় রাত্রি বেলা। হিয়ার ক্যানভাসে যে ছবির আঁচড় কাটি! আমার ক্যানভাসে মেখে দিতে জোনাকির আলো তাদের শুধাই, কাছে এসো, ক্যানভাসে আলো ঢালো।
 কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এস সি পাশ করা একজন নওমুসলিমকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল আপনি কি দেখে মুসলিম হলেন। তিনি জবাবে বললেন, হিন্দুদের যারা পূজনীয় ব্যক্তি তাদের আদর্শ যদি পৃথিবীর সর্বত্র বাস্তবায়ন করা হত তাহলে আজ সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখে আমি মুসলমান হয়েছি। প্রতি হিন্দু যদি আজ শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র ধারণ করে যুবতী মেয়েদের কাপড় নিয়ে গাছে উঠে বসে থাকে তাহলে সমাজের অবস্থা কি দাড়াত তা দেখেই আমি মুসলমান হয়েছি। হিন্দু ধর্মের দেবতাদের কথাগুলা কাগজেকলমে লিখাও লজ্জাকর। যেমন এই বিংশশতাব্দীতেও শীবের লিঙ্গের পূজার ন্যায়ও দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।মা বাবা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন একসাথে লিঙ্গের উপর ভক্তি করে।এটা খুবি লজ্জা লাগে।এগুলা কি কোন ধর্মীয় কাজ হতে পারে? আমি এসব দেখতে পারব না বলেই মুসলমান হয়েছি। আপনি ধ্রুপদীর কথা চিন্তা করুন।একজন মহিলাকে পাচ ভাই স্ত্রীর দাবী করে।আবার সেটাকে হিন্দু ধর্মের লোকেরা তাদের জন্য খুব গৌরবের কাজ মনে করে।এটা নিয়ে তারা খুব গর্ববোধ করে।এসব ভেবে আমি আর হিন্দু ধর্মে থাকতে পারি নাই। আমি চিন্তা করেছি যে কোথায় হিন্দুদের ভগবান দেবতাদের লীলা আর কোথায় মুসলমানদের নবী রাসুল গণের চরিত্র...
 একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন, “আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?” “বেশিক্ষণ না” জেলেদের এক কথার উত্তর। “তাহলে আপনারা আরও বেশি সময় দিয়ে আরও বেশি মাছ ধরেন না কেন?” লোকটা প্রশ্ন করেন। জেলেরা বলেন, "আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়"। “তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” লোকটা জিজ্ঞাসা করে। জেলেরা জবাব দেয়, “আমরা ঘুমাই, মাছ ধরি, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, বৌয়ের সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই…”। পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে বলেন, “আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনাদেরকে আরও বেশি সময় দিয়ে মাছ ধরতে হবে, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনতে হবে। ” “তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন। “আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় দুটা, তিনটা বা আরও বেশি নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে, সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির ...

★ভাষা ★

 হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিল দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা নির্দেশ জারি করেছিল, 'যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা রৌরব নামক নরকে যাবে।' ওই সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি নির্যাতিত বাঙালিদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যম সেই দিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সঙ্গে মুক্ত হয়েছিল বাঙ্গালিদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’। ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, 'মুসলমান সম্রাটরা বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।' অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, 'যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এ দেশে আরও কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকত, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।' মধ্যযুগে মুসল...