Posts

Showing posts from October, 2023

★অনুযোগের তিমিরে★

এই সংসারে তোমার ভূমিকা কি শুধু খাওয়া আর ঘুমানো।রোজগার করতে হয় না। কোন টেনশন নাই।তারপরও আমার ছোট ছোট কাজগুলো সময়মত করে রাখতে পারো,না?আমার সেবা করতে তুমি এত গাফেল? জানো না স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত! তুমি কোন জাহান্নামে যাবে আল্লাহই জানে।  আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজের নিত্য চিত্র এটি। ইসলাম কখন বললো,স্ত্রী স্বামীর সেবায় ব্রত না হলে সে জাহান্নামি হবে। ইসলামে মা-বাবার সেবার কথা বলা হয়েছে জোরালো ভাবে।  সকাল থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত  একটি সংসারের সব কাজ কর্ম আপনাকেই করতে হবে।যদি শ্বশুর বাড়ির সদস্য থাকে যতজন থাকে সবার দায়িত্ব আপনার! রোদ বৃৃষ্টি যাই হোক আপনার সন্তানের স্কুল এবং কচিং এর সামনে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার কাজটা কিন্তু আপনার!যদি কখনো বাচ্চার রেজাল্ট খারাপ হয় তার দায় ভারও আপনারই। বাসার প্রত্যেকের খাওয়া-দাওয়া,ঘুম, অসুখ বিসুখ সব কিছুর বিষয়ে আপনাকই সব বুঝে নিতে হবে। অথচ আপনিও মানুষ, আপনার অসুখ হতে পারে কিন্তু হলে কারো কিছু করার থাকে না।বরং অসুখ নিয়ে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের খাবার আপনাকে তৈরি করতে হবেই। আপনি মরেন আর বাঁচেন এটা বাধ্যতামূলক! আপনার একটা দিন রেস্ট নেয়ার অধিকা...
দীর্ঘ দূরের পথ দিতে হবে পাড়ি  হৃদয়ে অনুভূতি সঞ্চারিত করি সাধারণের মাঝেই অসাধারণের ছোঁয়া  হৃদয়ে জড়িত সাধ যায় না গো মিটিয়া বিনীত হৃদয় আশির্বাদ চায়। কঠোর নির্ণয়ে দিক লক্ষ্য যদি থাকে হবেই তবে জিত! আজ নয়তো কাল,ো চেতনা হলে অটল। যখনই যা চাই,হৃদয় গভীরে  পাই বুঝি অকাতরে! বিলায়ে নিজেকে অন্যের তরেোল যে মূল্যবোধ নিংড়ে নিয়ে  নিজেরে করি পুলকিত!  সত্যের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে হই আলোকিত!  স্বপ্নকে আঁকি আদর দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে অবহেলায় নয় এককে দূই করি না, ছয়কে নয় যত পঙ্কিলতায় বিবেক রোধে  আমার আমিকে খুঁজি মানবিক মূল্যবোধে।
ওরে কালো সাধ্যি কার তোকে করে হেলা কেশ কালো,আঁখি কালো,আঁধার কালো, সান্ধ্য কালোয়  যায় যে বেলা কালোরে কে করে ঘৃণা?  ভুবন ভরা আলো বিফল তোর শাড়ির কালো বিনা।

★আমি আমারই মত★

তোমার নিমগ্ন চৈতন্যে আমার অস্তিত্ব ক্ষীণ কি দৃঢ় তা নিয়ে ভাবি না  আমার আমিকে চিনি, যাকে চেনা যায় তাকে, অ-দরকারীকে চিনি না। বেহুদা সময় ক্ষেপণ, উলুবনে মুক্তোঝরানো মত! আমি বিবেচনায় পোক্ত,তাই হারমানিনি কখনো। চাওয়ার গন্ডি গুলো অতি ছোট্ট, তাই পেতে অসুবিধে  হয় না। লোভ থেকে মুক্ত তাই,অধিক প্রয়োজন হয় না। সীমিততেই তুষ্ট চিত্ত আমার, তাই কিছুতে লোভ দেখিয়ে লাভ নেই হতাশা আমায় হতাশ করে না কখনো ছোট হলেও স্বপ্নগুলো আকাশ ছোঁয়া,  আমি আমার স্বপ্নের পথে পথ চলি,কারো দেখানো পথে নয়। আমি আমাকে নিয়ে ব্যস্ত,আমার ব্যস্ততা কারো জন্য নয়। আমার ভাবনা গুলো আমার মত, কখনো সংক্ষিপ্ত আবার বিশাল, বিস্তৃত।  কারো প্রতি হিংসা বা বিদ্বেষ নেই,কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপও নেই।  কেউ সাপের লেজে পাড়া দিলে সে বিষদাঁত বসিয়ে দেয়। আমি সরাসরি তেমন না হলেও কিছুটা নিরব ঘাত। কলমে:  -আরাবী নূর ইয়াসমীন লিমা  ২১.০৩.২০২৩

★অনামিকা★

রাত্রি শেষে নিবিড় নক্ষত্র হয় সমাগত হৃদয় নির্বাক হয় মৃত আত্মার মত  চুকিয়ে শৈশবের সকল লেনদেন, উচ্চকথা,গান কৈশোরের ক্ষান্ত উৎসবের এসেছে আহ্বান । অতঃপর তারুণ্যের ছোঁয়ায় উজ্জীবিত মন তোমায় স্বপ্নে দেখে দু'চোখ, অনুভবে ভাবনায় যখন, নিঝুম রাতের স্বপ্নেদেখা  তুমি এক রাজকন্যা জাগ্রত হৃদয়ের ভাবনা কন্ঠে কুহুতান অনামিকা! তোমার কি নাম? কোথায় থাকো, কোথায় পড়? জানাও আমায় যদি রোজ এসেম্বলি ফাঁকি দিয়ে,মাড়িয়ে লম্বা লাইন তোমার পিছু দাঁড়াবো আমি,ভেঙে সমস্ত আইন। অনামিকা!  তুমি এলে স্বপ্নে বারেবারে স্বপ্নে তোমাকে পাই,হারায়ই অকাতরে। হৃদে এমন কি দিলে দোল? মোর স্বপনে মাখাবে বুঝি ঘুমের কলরোল  ঘুমে অগুনিত কেন আসো যাও অবারিত ফিরে ফিরে তাকাও! মোর অবুঝ বক্ষশোণিতে বাজাও মধুর বীনা চুপিচুপি কি যে বলে যাও,কন্যা সেতো কিছু বুঝি না। অনামিকা নামে কতবার ডেকেছিলে মনে পড়ে?  জানি, 'তব হৃদ হতে নামটি ভেসে গেছে ঝড়ে।'

★এসো হৃদয় গালিচায়★

এসো,শিশির ভেজা ঘাসের গালিচায় তথায় আজি হারাই দুজনায়, গভীর উষ্ণতায়।  এসো, শান্ত সু-নিবিড় বট-বৃক্ষের ছাঁয়ায়, চোখে চোখ, হাতে হাত রেখে- ভালবাসার বন্ধনে জড়াই। এসো, বৃষ্টি ভেজা নরম কাঁদায়, হলদে-লাল মৃত্তিকায় পা ডুবাই। অনেকটা পথ পায়ে পায়ে হেঁটে যাই।  এসো, প্রান্ত থেকে পান্তে তেপান্তরের ওপার কোন এক গোধলী বেলায়। দুজনে গান গাই,নিভৃতে সুরের বেহালায়। এসো, সৈকতে অসংখ্য ঢেউয়ের মেলায় ঝিনুক থেকে মুক্তো কুড়ায়ে তোমায় সাজাব, গেঁথে মুক্তোর মালায়।  এসো, বাঁশঝাড়ের মাথার উপর জ্বলে থাকা জোনাকির আলোয়- দুজনে খেলি লুকোচুরি, কানামাছি আর খেলি, প্রেম প্রেম খেলা কিছুটা সময়।  এসো, শরতের কাশবনে শুভ্র সাদায় দুহাত ধরে ঘুরে বেড়াই-  দূর নীল নীলীমায়। এসো, পুষ্পে পুষ্পে সাজানো সজ্জায় জড়াজড়ি করে হোক, অকাতরে আদান প্রদান অনুরাগের অস্থি-মজ্জায়।  এসো, হৃদয়েরও বিছানায়, আবেগময় পশরা সাজিয়ে নি:শ্বাসের গভীরতায়।

★হৃদয়ের টানাপোড়ন★

কেমনে বুঝাই তারে সে আমার কে? ভালবার মূল্যে কাছে চাই যাকে। রোজ নিশিতের স্বপনে কাছে আসে;সে থাকে অ-ধরা! তাকে যায়না কভূ্ু মনের কথা বলা! কেন তার জন্য হৃদয়ের এত টানাপোড়ন, সারাক্ষণ মাতাল হাওয়ায় তোলে আলোড়ন।  যোজন যোজন দূরত্বেও, দেখি তাকে চোখের সীমন্তে সেও কি দেখে আমায় সীমাহীন অনন্তে? এই ঘন বরিষায় তাকে ভাবছি খুব, নেই কোনো অনুযোগ  সেও কি ভাবছে আমায়? শুধু আমাতেই কি তার সমস্ত মনোযোগ?

★ততবেশি চাইনি আমি★

ততবেশি চাইনি তো আমি যতখানি দেবে ভেবেছ তুমি পরের শতাব্দীতে যদি ফিরে আসি আরেকবার। বৃৃষ্টি হয়ে আসবো তখন, তোমার বারান্দার ভেতর। রোদ্দুরে ক্লান্তি দূর হবে তোমার,যখন হবো উষ্ণ চাদর! হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেবে,পাবে অতি পাশে চক্ষু বুঝেও দেখবে আমায়,তোমার প্রেমের উপন্যাসে। ততবেশি চাইনি তো আমি তত ভালবাসা,তত প্রেম তত সমাগম! চেয়েছি আরও কিছুকম কাছে এসে আমায় বলো খুউব চুপিচুপি রমনী!  সারাক্ষণ নিরবে তোমার নামই জপি! খুলে দাও যদি তোমার হৃদয় দোর স্বচ্ছ কাঁচের মত আমি শুষে নেব নিঙড়ে তত! হেথায় ভালবাসা আছে যত। ততবেশি চাইনি তো আমি যতখানি দেবে ভেবেছ তুমি।

★প্রার্থনা★

'বিবেকে' আমায় ফিসফিসিয়ে বলে, তেমার স্নায়ু দুর্বল হচ্ছে,বয়স কমছে না কিন্তু! মাত্র সাড়ে তিন হাত বিছানায় ঘুমাতে হবে,অনন্তকাল! হয়ত ঘুম ভাঙবে তারও অনেক প_রে। খুব শিঘ্রই হয়তো মলিন হবে ত্বক, ভাজ পড়বে চেহারায়। এরপর, কোনো একদিন ডাক এসে যাবে কোথায় যেন যেতে হবে,খুব অচেনা কেথাও। খুউব একাকি! তুমি প্রস্তুত আছ তো? আমি নিরবে সুধাই- যাহা সত্য! তার উপর আর কিছু নেই, আমি তার জন্য অপ্রস্তুত থাকবো কেন? কি সাধ্য আছে আমার? তবে যদি কোনো ঋণ থাকে কারো কাছে কোনো অজান্তেই ক্ষমা করো সবে মোরে নিজ গুণেই। জীবনের অস্তিত্ব হবে বিলীন যবে পাপী হয়ে নয়,পুণ্য নিয়ে চলে যেতে চাই এইটুকুই প্রার্থনা। কারো কোনো ক্ষতি না সাধবো,রইল আরাধনা।  -লিমা ২০.০৬.২০২২

★তুমি এলে হে, অচেনা★

দূর কুয়াশায় তুমি নি:শব্দের শব্দে ফিরে আসো বারবার তোমায় দেখেছিলাম সেই- স্বপ্নলোকের আদ্যন্ত মর্তলোকে! নেত্রে শুধুই নিরুচ্চারিত প্রশ্ন, অন্তঃকরণ মহল জুড়ে কবোষ্ণ ক্রমশ আধোপুষ্ট উন্মাদনা, ভালবাসো তুমি হে,অচেনা? অতঃপর : হৃদয়ের আভ্যন্তরীণ এমন এক অনুভুতিতে তুমি ছুলে, যেথায় আবেগ অনিয়ন্ত্রিত! মেঘেঢাকা বিশাল আকাশের মত, তুমি যেই সম্মুখে দাড়াঁলে, আমি লাজুক ম্রিয়মান!  তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে গ্রাস করে নিলে, সমগ্র শূণ্যতার অষ্ট প্রহর! স্নিগ্ধতার পরশ ঝড়ালে,আমার মনের আড়ালে, নিরবে,অজান্তে। অদৃশ্যের এ কোন স্পর্শ বুলালে অন্তর আত্মায়, ভালবাসার সীমানা পেড়িয়ে  মহা আলোর নীলয়ে,হিমাদ্রির দুরন্ত দুর্গমে এ কোন স্পর্শ বুলালে? অন্তর নিহারিকার নির্ঝর অনুভবে স্পর্শ বুলাতেই কি তুমি এলে?
নিয়মতান্ত্রিক পৃথিবীতে অনিয়মের খেলায় মানুষ প্রতিনিয়ত দোলে। কত অভিনয়! মিথ্যার ঝুড়ি অজস্র যায় বলে! কিন্তু আমি? অন্তরীণ সুপ্ত সুখে, প্রবল সংজ্ঞাহীন অবগাহন রোদের পিঠে আলোর ভীষণ বন্যা বহমান যতনে তুলে রাখি,  সুখের কিয়দংশ আর আলোর ছিটেফোঁটা। আঁধারহীন, আকাশ অপসারী।  অপ্রতিরোধ্য আলোর গভীর সঙ্কোচনে অবর্ণনীয় সুখের যাতায়াতে চলি কোলাহলহীন,মধূৎসবে আমি একলাতে!

★মুউয়ার অর্থ খুঁজে দিশেহারা★

তখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি। বছরে দুবার নানা বাড়ি বেড়াতে যেতাম,আর একবার যেতাম দাদা বাড়ি। বিশেষ করে উইন্টারে যেতাম দাদা বাড়ি।আর গাছ পাঁকা আম,জাম,কাঁঠাল খেতে যেতাম নানা বাড়ি সামার ভ্যাকেশনে।শীতেও যেতাম,কারণ শীতে নানীর হাতের পিঠা আহা! এমনিই এক গ্রীস্মের ছূটিতে গিয়েছি নানা বাড়ি।যখনিই যেতাম,কাজিনরা সহ যেতাম। তবে সেবার খালাতো বোনরা যায়নি। শীতলক্ষ্যায় প্রতিদিন গোসল করতাম,সাঁতার জানতাম না শুধু ডুবাডুবি করতাম,পানির নিচে যতদূর মাটির নাগাল পেতাম,বাহাদুরিটা ছিল ঐ পর্যন্তই।দুই চোখলাল না হওয়া পর্যন্ত পানি থেকে উঠার নাম গন্ধ ও থাকতো না।দাদা বাড়ি গেলে গোসল হতো ধলেশ্বরীতে। তো যাইহোক,যেদিনের ঘটনাটা আজ জানাতে চাচ্ছি- কাজিনরা না থাকায় আশে পাশের সমবয়সী নানী আর খালা বান্ধবীদের সাথে ঘুরতে বের হলাম।তাদের একজনের নাম রহী সম্পর্কে নানী,আরেক জনের নাম আসমা বয়সে ছোট, সম্পর্কে খালা। আরেকজন আফরোজা আর সাথে আমার ছোট ভাই ছিল মি. ফোরকান। ও বয়সে অনেক ছোট ছিল। নানা বাড়ির পর একটা রাস্তা,এরপর চিকন লম্বা একটা কুলগাঙ,গাঙ পেরিয়ে বিরাট চর,আর চরের পর শীতলক্ষ্যা নদী।  তো আমরা চরে ঘুড়তে এলাম।চরে ছিল ধানী জমি, শরীষা ক্ষেত,সবজী, খালি ...
মিষ্টি হাসির ছলে ভেসে যায় শত অভিমান নিবিড় সুখের ছোঁয়ায় আনন্দে হারায় প্রাণ প্রকৃিতির মাঝে বিলিয়ে নিজেকে হই অনন্য  উদাসী সমীকরণ ছুঁয়ে দিলে মন,হলাম বুঝি ধন্য। নাম জানা-নাজানা শত ফুল গন্ধ বিলায় আমার কানন মেলায় নয়নে আজ পাইনা দেখতে নিজেকে দেখি নিরবে,যা আছে প্রকৃতি মাঝে নতুনালোকে। আমার আমিকে খুঁজি শত রপে শত রঙে! অজ্ঞাতবাসে ছিলে নাকি তুমি? বিস্মৃতির বেড়াজালে জড়িয়েছ কি? নাকি অহংকারে? উমম না  অহংকারে বা বিনয়ে মাথা নোয়াইনা কারো তটে আমি আস্বাদন করি প্রকৃতি!

★ হৃদয়ের নীল প্রজাপতি★

নীলিমার নীলে জানিয়ে অভিবাদন একটি নীল প্রজাপতিকে করিলাম বরণ শ্বেত অবয়বে অদম্য সেই প্রজাপতি খেলে প্রতিনিয়ত ভ্রান্তির চরম গহ্বরে ক্লান্ত হয়ে করে ইতস্তত প্রজাপতি উড়ে বেড়ায় নিশিথ মধ্যাহ্নে কুর্ণিশ করে অহর্নিশ উচ্ছ্বসিত নয়নে। নয়ন ভরিয়া দেখিতে পাই আঁধারে আলোর খেলা নীল প্রজাপতি,ভাসিয়েছে তার ভেলা নদীর অথৈ গভীরে  যেতে হবে কেথায়,কতদূরে?  তার অনাবশ্যক অধিক কথা  বা কখনো দীর্ঘ নিরবতা  হৃদয়ে বেসুরো সুর করে  তৈরি সযত্নে সঞ্চিত রাখি তাই নীল প্রজাপতির অজস্র কথার মঞ্জুরী।

★ভালবাসার সংশয়★

ফের হেসো না কভূ নির্দয় হাসি মোর পরানে বাজে বিষাদের বাসি নিঃসঙ্গ হৃদয় ক'দিন কাঁদবে আর? জ্বলেপুড়ে মেনে নেবে তোমার হাসির অত্যাচার! অতি কাছে এসে হাত দুটি ধরো সইছে না কোনো বাঁধা, কোনো তর! তুমি আছ বলে আমি আছি এসো প্রাণময় শত জনম বাঁচি তুমি-আমি আর মাঝে কেউ নেই প্রেম সঙ্গীত সঙ্গোপনে বাজাই। দুরে ঐ দৃষ্টি বেড়ায়,বৃষ্টি ভেজা হেয়ালি সন্ধ্যায় মেঘেদের ভীরে মন হারায় হেয়ালি মন্দায় রৌদ্র উঠুক খরতর প্রেম জাগে জাগুক,ঘোরতর  স্বপ্নেরা ডানা মেলেুক,হোক চঞ্চল শান্ত নীলাম্বর! নব- পল্লব দোলে সমীকরণে ভালবাসি তোমারে অন্তরে মনে। করি,তব  হৃদতলে অবতরণ দৃষ্টি ভেদিয়া করি স্বপ্ন হরণ আপনারে ভুলিছে আজি পুলকিত তনু প্রাণের প্রীতি ঢেলেছি কত শত তবতরে, হয়েছি নতজানু! শুভ্র ফুলকলি জড়িয়ে কেশে উচ্ছলিত হয়েছিনু তব ছন্দ স্রোতে, কি দৃষ্টি  হেনেছো গো এক নিমিষে  বিমোহিত তৃপ্ত আঁখিতে! গভীর করে তোমায় খুঁজে মরি হৃদ মাঝে তোমারেই তুলে ধরি হায়! ভীত ক্রন্দন বাজে হিয়ার কোনে তবু ওষ্ঠে স্মিত হাসি ওঠে উৎসুক অভিমনে। ভাবি, ভুলবেকি আমায় কোনোক্ষণে?

★প্রাণবন্ধু★

অপেক্ষায় সময় গড়ায় য়খন শিউলি মাল্য গেঁথে, চন্দ্রমল্লিকা গন্ধ ছড়াবে, তোমার আাসার পথে। নিশিত গহিনে চাই তোমার অভিসার   হে, প্রাণবন্ধু আমার শশি বুঝি আলো বিলায় গগণসম  ঘুমহীন আঁখি মোর,হে প্রিয়তম। তোমায় দেখার আজন্ম প্রত্যাশায়, তীব্র অনুরণন মনে তোমাতে নিমগ্ন হিয়া দোলে, শীতল জলে গভীর অবগাহনে হৃদয় জুড়ে রয়েছ দৃশ্য-অদৃশ্যের চেতনায়, মননে। বাসনা মনে রয়েছে অবিরত  বাসিবে ভালো পাগলের মত যুগ যুগান্তর,থাকিবে নিরন্তর  রবে এই জনমে, শত জনম পর পাশাপাশি অনন্ত জনম সবিস্তর।

★প্রতীকী নদীর নৌকায় যখন বসে আমি★

জলহীন এ নদীর তরঙ্গ ভারী, গভীরতা নেই জানা  এ তরী সৌন্দর্য ভারী, যাব কোথা, কত দূর তাও অজানা। কত-না আকারে-প্রকারে, বিরোধে, তুলকালাম শোরগোলে ডামাডোল ফেলে একাকী দাড়িয়ে আমি নান্দনিক তরীর কোলে।  নৌকা দোলে শূন্য জলে,মাঝি কোথা নাই? একলা আমি শূন্য ভারী, তরীর মাঝি কই?

★বন্ধু★

এত প্রেম,এত ভালবাসায় বেধেঁছ মায়ার জ্বালে। সারাজীবন এভাবে থেকো অনুরাগে,আহ্লাদে। কতটা পেরেছি দিতে, হিসেব করিনি একবার, নিয়েছি যতনেই  ভালবাসার অমূল্য উপহার! দেয়া-নেয়ার হিসেব করি শুধুই অকারণে হিসেব-বেহিসেবে  আগলে রাখি বন্ধন,অতি সন্তর্পণে। কেহ,দূরে যেও নাকো,বেলাশেষে বিবর্ণতায়  ধরে রাখো হাত ভালবাসার অকৃত্রিমতায়।

★মানবপরিষদ★

এসো শিশু, নবীণ-প্রবীন, কার্তিকের শিশিরসিক্ত রোদেলা সকালে হই রোদ্রোস্নাত। সবুজাভ ঘাসের শিশিরে পা ডুবাই শীতোষ্ণ সমীরণে। ভুলে যাই, পুরুষ শাসিত সমাজের শাসনাধীন শাসনীয় শাসনদণ্ড।          নারীর হৃদয়ে বয়ে চলুক বাধাহীন শান্তিময় জলপ্রপাত। সাদা শাড়ির বৈধব্য ছেড়ে বিধবার থাক রঙিন আঁচল।         গৃহের বন্ধিদশা থেকে শিশুর জন্য বরাদ্দ হোক বিশাল খেলার মাঠ। শুরু হোক তাদের, কোলাহল,হৈচৈ,কিচিরমিচির।          পতিতার প্রাপ্তি হোক বিশুদ্ধ নি:শ্বাস,একটি খোলা আকাশ। মাথার উপরের ছাদটুকু হোক শক্ত আর ছাঁয়াটুকু বিশ্বাসের।         বৃদ্ধাশ্রম প্রবৃত্তিদমন হোক নীতিজ্ঞ সবার। প্রবীণত্ব কেটে যাক শ্নেহের ছাঁয়ানীড়ে।           বয়ো:সন্ধি আসুক কিশোরীর সচেতনতায়,চারিপাশের সহযোগীতায়। ঋতুকালীন সময়গত হোক পরিচ্ছন্নতায়।           কিশোরও বেড়ে উঠুক সচেতন নির্ভরতায়। ভারীকন্ঠ,কঁচি গোঁফ-দাঁড়ির ভারে নতজানু না থাকুক, না থাকুক উৎকন্ঠায়। টিনএইজ, গা না ভাসাক অন-লাইনের গড্ডালিকাপ্রবাহে। পিতার শাসণ নয় তা...

★সেজোফ্রেনিয়া★

সেজোফ্রেনিয়া, এক অভিশাপের নাম! সন্দেহ যার একমাত্র উপাদান।  যেজন এই 'শাপে অভিশপ্ত সে অন্যের জীবন করে তপ্ত নিজে তো শেষ অন্যদেরও করে  নি:শেষ। সেজোফ্রেনিয়া মানষিক অসুখের নাম তার কাছে সেই সেরা,তার নিকট নেই কারো দাম সন্দেহ বাতিক,মিথ্যে বলা,ভুলে যাওয়া যা নিজেরাও বোঝে না তারা পরিবারে জঞ্জাল এরা।

★জন্মদিন তোমার★

নিত্য আলোয়,দেখি তোমায় বিধাতার সৃষ্টিসীমার অসীম সীমারেখায়  সম্মুখে এসে দিলে তোমার অপরিচয়ের পরিচয় আজকের দিনে এসেছিলে ধরায়,আজ জন্মদিন তোমার। ভাষাহীন উৎসাহের উৎসবে তোমাকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা।  ভালবাসার কুশল বিনিময়ে জানাই হৃদয়ের ইচ্ছা।  আমার মনের আঙ্গিনায় তোমার অবিচল বাস আমার চুলে তোমার স্পর্শ বারো মাস  তোমার চোখে আমার স্বপ্ন পূরবী, নাসারন্ধ্রে শত সুবাস  রোদ্দুরের খরতাপে জ্বলেছি,হৃদয়ের স্নিগ্ধতায় ভেসেছি হৃদয়ের শূন্য প্রাঙ্গন,ভরে রয় তোমার নিমন্ত্রণে শুভেচ্ছা অবিরাম তোমার জন্মদিনে। একটু পাগলামি না থাকলে, ভালবাসা হয় কি রঙ্গিন  ভালবাসার শুভেচ্ছা রইলো, আজ তোমার জন্মদিন।  অতি নিবিড় প্রেম দিয়েছ ছড়ায়ে তব গম্ভীর আহবান আমায় জড়ায়ে আজি ব্যকুল হিয়া সাজে মাধুরী ভারে মোর পরানে দখিণা পবন বয়ে যায় ধীরে রাত্রি হলে গভীর আসবে প্রলয় নিশিথ ঘোর দিবসের আলোক ঘুচিলে হবো চঞ্চল, সরব ঝড়! শৃঙ্খল ভঙবে তবে অতি সুকঠোরে বিমল শূন্য ভরে নেবো মনপিঞ্জরে। জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা তোমারে। কর্মময় ব্যস্ততম জীবন তোমার ছোঁয়ায় হয় মনোরম। তব নিখাঁদ ভালোবাসায় জীবনকে অবিচল প্রত্যয়ে বাঁচতে শেখায়। এগিয়...

★স্বপ্নের পদ্মাসেতু★

পদ্মাসেতু শুধুমাত্র একটি সেতু নয়,  এ আমাদের গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক। পদ্মাসেতু শুধুমাত্র ইট,বালু,সিমেন্ট, রড,কংক্রিটের অবকাঠামো নয় এই সেতু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রতীক।  পদ্মাসেতু এখব আর স্বপ্ন নয়,স্বপ্ন পূরণ। স্বপ্ন পূরণের অপর নাম পদ্মাসেতু! প্রমত্ত পদ্মায় পরম নির্ভারতার একটি গল্পের নাম পদ্মাসেতু।  পদ্মাসেতু নামক গল্পের রচয়িতার নাম শেখ হাসিনা।' আমার টাকায়,দেশের অর্থায়নে একটি স্বনির্ভর স্বপ্ন পূরণের নাম পদ্মাসেতু। নিন্দুকেরা যাই বলুক,তাদের মুখে ছাই দিয়ে আজ বিশ্বদরবারে সগৌরবে মাথা উঁচু করে বলি,আমার পদ্মাসেতু,  স্বপ্নের পদ্মাসেতু।

★অসম বিয়ে★

#অসম বয়সে হলেও বিয়ে একটি বৈধ প্রক্রিয়া এর বিরুদ্ধাচারণ কেন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে না যদি তা হয় দুজনের সম্মতি স্বত্বে। যখন হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে বিয়ে করেছিল অবাক হয়েছিলাম,যখন সুবর্ণা মোস্তফা হুমায়ূন ফরিদিকে রেখে তার থেকে অনেক অল্প বয়সী একজনকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছিল তখনও একই অনুভূতি হয়েছিল। সময়ের পরিক্রমায় মনে হয়েছে জটিল বলে কিছু নেই সবই স্বাভাবিক! সবই সম্ভব। আমাদের প্রিয় নবীজি মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার হুকুমে তাঁর থেকে ৪০ বছরের বড় আবার ৭ বছরের মা আয়শা রা. কে ও বিয়ে করেছিলেন। আমরা যদি মুসলিম হই তবে অসম বয়সের বিয়েকে ও মেনে নিতে হবে।কারণ বিয়ে একটি বৈধ প্রক্রিয়া।  তোমরা যারা এই শিক্ষিকার বিয়েকে মানতে পারোনি, অনাহুত মন্তব্যে জর্জরিত করেছ তাকে,'তোমাদের না আছে কোনো পারিবারিক শিক্ষা, না আছে কোনো ধর্মীও শিক্ষা।' তোমরা তো মুর্খ অপেক্ষা অধম! তোমরা এত নষ্ট মানষিকতা লালন করো কিভাবে? আজকের এই পৃথিবীতে এই ধরনের বিয়ে যাতে সমাজে অগ্রহণীয় না হয় এই জন্য ১৪০০ শত বছর পূর্বে আল্লাহ তায়ালা প্রিয় রাসুলের বিবাহের মাধ্যমে এই অসম বয়সের বিয়েকে বৈধ করে দিয়েছিলেন।

★পোশাক★

#ফ্যাশন সংস্কৃতির অংশ।ফ্যাশনের ক্ষেত্রে পোশাক একটি অন্যতম উপাদান। পোশাক যদি শালীনতম হয় তবে ফ্যাশনে বৈচিত্র্য আসে আর ব্যক্তিত্বের পরিধি বাড়ায়। অনেকে মনে করে থাকে হাল ফ্যাশন মানে খোলামেলা পোশাকে নিজেকে সাজানো।  আবার অনেকে পোশাক দেখে মানুষের মূল্যায়ন করে থাকে।পোশাক দিয়ে কাউকে মূল্যায়ন করা নিতান্তই মূর্খতা!  #লুকি ফারলয়াসে মতে,পোশাক মানুষের বাহিরের আবরণী মাত্র,যা দিয়ে মানুষের ভিতরের চিন্তা,বিবেক,বুদ্ধির বিন্দুমাত্র ধারণাও করতে পারবে না। #রিচি আয়াটসন বলেন,আমরা সবাই একই চামড়া ও হাড় দিয়ে গঠিত আমাদের প্রত্যেককে আলাদা করে পরিধানের পোশাক। # যারা পোশাককে বেশি প্রাধান্য দেয় তারা পোশাকের চেয়ে বেশি মূল্যবান হয় না।  - রেজিনা ব্রেট # অন্যদের মত পোশাক পরিধান করার দরকার নেই,আপনার নিজের মত করে পরিধান  আরও বশি মজার। - এডিথ হেড সত্যি!নিজের পছন্দমত পোশাক পরিধান করার মজাই আলাদা।আর তা যদি হয় শালীন, রুচিশীল, ভদ্র পোশাক। নানী-দাদীদের যুগে তারা কিভাবে পোশাক পড়ত,প্রতিবেশির কে কি পোশাক পড়ে। সহপাঠী, সহকর্মী কে কেমন পোশাক পড়লো তা নিয়ে পড়ে থাকা বোকামি ছাড়া অন্যকিছু নয়। আয়কর আইনজীবী -আরাবী নূর ইয়াসম...

★আমার_শরৎ_বেলা★

মেঘভার আকাশ আমার সুনীলবরনী। স্নিগ্ধ ছাওয়া শ্যামল ধরণী, মুঠো মুঠো আবেশ ছড়ায় হিয়ায়;হেথায় এ শরৎ বেলায়। গন্ধে ভরিছে অবনী আজ কাশফুল,হিমঝুরি,মিনজিরি,কেয়া,শিউলি, শেফালীমাল্যে। অতন্দ্র নয়নে ক্ষনে জাগে স্বপন,তব প্রেমো ছলে! হৃদয়ে আছ,তবু তুমি নাই শরৎবেলায় খুঁজি তব সেই সুখ;শুধু তাই! অসীম জিজ্ঞাসা,তব দ্বারে অশ্রু-আর্দ্র ভরে শুনিতে পাও কি তুমি,'কোথা পাবো তোমারে?  নয়নসীমা ভেদ্যে, রয়েছ কোন বেশে মন বোঝে,তমি নাই;তবুও আছ হৃদ কুঠরির দেশে। আয়কর আইনজীবী -আরাবী নূর ইয়াসমীন লিমা লেখা: ১২.০৯.২০২২

★পরিচিতি★

 আমি নই স্বপ্নহীন যাযাবর কখনো মিথ্যে মামায় স্বপ্ন বুনি না। জয়ের স্বপ্ন বুনি বরাবর! নিশ্চুপ, নিথর নই আমি, নিদারুণ নিস্তব্ধতার শব্দে সাজাইনা  কথামালা। নেই কোনো অন্তর দাহ্ জ্বালা।  আমি তো ব্যাথিত নই কখনোই, কষ্টের আর্তনাদে অবলীলায় ভাসি না তাই। সুখ সত্তার সাথে তুমুল মুখরিত মিশে রই। আমি পরিচয়হীন নই আমি একজনই, মহা সত্তার সত্তা ! এটাই আসল পরিচয়। -লিমা।

★দিবারাতি কর্মযজ্ঞ★

একটি সুন্দর সকালে, মুখরিত করে রাখি অপার সম্ভাবনার মুহুর্তগুলোকে। হাত বাড়াই দুপুরের দিকে, কাজের ব্যস্ততায় বিলীন হতে। সর্বদা কর্মযজ্ঞ ক্লান্তিকর! এরপর ঝিমুনি এলে,প্রয়োজন একটু বিনোদন,একটু অবসর বিকেলের চা-পান বিরতিতে একটু রিলাক্স হলে ভালো আছি অনুভবে ভাবি,'ভরে উঠুক বেঁচে থাকার অনিশ্চিত মুহূর্ত গুলো। সন্ধ্যায় সমস্ত জাগতিক কার্য সম্পাদনের পর রাত্রির আগমনের প্রস্তুতি নিতে নিতে মনে হয়, 'ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো, নই আমি ক্লান্ত অনাহুত ঘুমকে করিতে পারি জয়,পরিশ্রম করি আদ্যোপান্ত।' অতঃপর পুনরায়- একটি প্রশান্ত প্রভাতের প্রত্যাশায় গভীর ঘুমকে করি আলিঙ্গন।  -লিমা।

★প্রাপ্তিতে তৃপ্তি★

বেশ দূরত্ব চুকিয়ে প্রেম নাহয় বাড়ালো কিছু ক্ষতি কি? কিংবা দূরে থেকেও পরম মুগ্ধতায় যদি বলে,'ভালবাসি তোমায় ক্ষতি কি? শত যুগ পরেও যদি আবেগ মাখা কন্ঠে বলে, প্রথম পরিচয়ের মতই তোমায় ভাললাগে ক্ষতি কি? যদি তা নাইবা হলো তবে- বিরতিতে আকাঙ্খা বাড়লে বাড়ুক ক্ষতি কি? হৃদপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠের ক্ষুদ্র দহনে ক্ষতি কি?  প্রতুল শব্দের কথার মালা না হলে ক্ষতি কি? অসীম সংখ্যক“না”প্রেমকে আরও গতিশীল করলে ক্ষতি কি? অসংখ্য না এর ভিড়ে একটি 'হ্যা' অর্জনের বিরাট প্রাপ্তিতে ক্ষতি কি? সহজে পেলে তুষ্টি আসেনা,কঠিন প্রাপ্তির আনন্দটা তৃপ্তিময় হলে ক্ষতি কি?

★দৈর্ঘ বৈষম্য★

ছোট্ট বেলায় কত আম কুড়িয়েছি,  বিশাল বিশাল গাছের নিচ হতে গাছতলায় বিছিয়ে থাকতো আম শত শত বৃষ্টি ঝড়ের রাতে আম কুড়াতে ঝড় কি প্রয়োজন? কুড়াবো কি আম হাতেই এখন! সেই বড় বড় গাছ নেই আগের মতন ছোট্ট হহে হতে সবই ছোট্ট এখন গাছ,পশুপাখি ও মানুষজন।

★মন তোমায় খুঁজে ★

তবুও কারণে-অকারণে  ঘুমহীন আঁখি আদ্যোপান্ত দেখে তব অবয়ব ছায়া  দিয়েছিলে যে অদ্যাবধি চৌচির মায়া ভুলেনি মন,যে ধ্বনি দিয়েছিলে দৃঢ় উচ্চারণে ভালবাসার একটি শব্দকথা; পুষ্প-ফোটা উদ্যানে। ভুলেছ অচিরেই, আজ নেই তা স্মরণে! তবুও  তোমায় খুঁজে মন প্রতিক্ষণ আঁখি খোঁজে; দৃষ্টি সীমানা যতদূর যায় যতক্ষণ  মৃদু হেসে সহজেই মেনেছে হৃদয়;তোমার দূরত্ব  অসীম ব্যবধান না ঘুচিয়ে হয় কি বন্ধুত্ব?  কী দেবে উত্তর,অস্পষ্ট উচ্চারণে? ক্রমেই হয়েছ নিঝুম,নিশ্চুপ আচরণে!

★অচেনা পথিক★

মোর কর্ণকুহরে গুনগুন গায় পাখি হৃদয় ভরে উথলায়,মুদে আসে আঁখি। উড়িছে প্রজাপতি, শুভ্র মেঘের মত মোর হিয়ার অম্বরে, বিশালতায় শত শত আমারই ভাবনায়,কল্পনায় ভাসে,ভাললাগা যত! আমারই ভাবনার সমস্ত জ্বাল ছিন্ন করে;কে তুমি হে, 'ঘিরিতে চাও আমারে, সহস্র বাহুডোরে।' বসিয়াছি হেথায় ক্ষণিকের তরে দু' হাত বাড়িয়ে সম্মুখে দাঁড়ালে উন্নত বক্ষ ভরে কি বুঝিয়া মোর আঁখিপটে আলোক রশ্মি ঝলকে পড়ে হৃদ কম্পন অস্থির থেকে স্থিরতর হতে চায় বক্ষ ভিতরে! নিরব আন্দোলনে কম্পিত হয়ে শুধাই নিজেরে 'আমি আমার তরে' আরও শুধাই অচেনারে,'হে পথিকৃৎ সরে যাও অন্য দ্বারে।'

★হৃদয়গ্রাহী প্রেমপ্রকৃতি★

নয়নাভিরাম প্রকৃতি! তোকে ডাকি,করি আকুতি! আমায় দিবি তোর বৃষ্টির ছটা মোর আঁখিপুটে ঝড়াবি ক'ফোঁটা? খোলা বাতায়নে বায়ু প্রবল বহে আকাশ ভারে,প্রখর রবির কিরণ নাহি দাহে মোহাচ্ছন্ন মৌন জগৎ খুলেছে হৃদ দ্বার সবুজ পত্র দুলেছে অবিরাম, দুলেছে বাঁশঝার গাছের শাখে পাখির কিচিরমিচির,মুক্ত মধুর স্বাসে উদাসী নেত্রে দেখি অপলক,গভীর উচ্ছ্বাসে!  শোঁশো বায়ু বহে ডালপালা ভরে ঝরঝরে বৃষ্টি অঝরে ঝরে।

★ব্যাঙ্গাত্মক প্রেমপ্রবন্ধ★

আমায় ভালোবেসে একজন হোমার হয়ে 'ইলিয়াড-ওডিসির মত মহাকাব্য যাও লিখে  যা ভবিষ্যতে মহা ইতিহাস হবে।  তখন পাশ্চাত্য সাহিত্যেকে টপকে আগামী শতাব্দীর নোবেল নেবে জয় করে  কিংবা বুকার পুরস্কারে। তবে এসো,প্রেম করবো মহানগরীর অলি গলি, পথে  গাড়ির কালো ধোঁয়ার কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে বিষাক্ত হবো।  যখন ক্ষুধা লাগবে, খাবো কার্বইডমি শ্রিত আম্র,  ফলের রাজা বলে কথা। খাবো সীসাময় নুডুলস, খাবো ছোটকোনো হোটেলে ফর্মালিনের মাছ,অথবা  বড় রেস্তোরাঁর খাশীর বদলে কুকুরের কাচ্চি। দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতিতে কখনো খাবো কার্বনডাই-অক্সাইড যুক্ত হাওয়া। পেট কিন্তু ভরবে বন্ধু, হতাশ হইও না। যদি লাইলি-মজনুর মত বিচ্ছেদ ঘটে এ সকলই বৃথা!  আর যদি মিলন ঘটে তবে সবই অর্থবহ হবে।  দোষ কি তাতে, সব ব্যর্থতা পিরিতে পীড়িত হবে। -লিমা। ৩১.০৫ ২০২৩

★ভালবাসি★

যে শব্দ মুর্হুমুহু শুনি বজ্রের মত  থরথর করে উঠে হৃৎপিন্ড যে কথায় ভুলি স্বপ্ন ও বাস্তবের পার্থক্য যে ধ্বনিতে সেরে যায় দুরারোগ্য  কি সেই শব্দ,কথা,ধ্বনি? তা জানো কি  তুমি? সারাদিনের কোলাহল নিস্তব্ধতায় হয় শান্ত দিগন্তে চেয়ে দেখি ছায়াময় তুমি,এক চঞ্চল দূরন্ত   বারবার দেখি, দেখি আবার শত বিশ্বাসে,মনের উল্লাসে। 'ভালবাসি তোমায়' অন্তর দোলে মোর, তোমার 'ভালবাসি' শব্দকথায়! তা জানো কি  তুমি? কতটা ভাবি সারাক্ষণ  তোমায় নির্মল ভালবাসায় শিক্ত হই  দুজনায় বুকের আঁচলে জড়াই তোমায় হৃদয়ের উত্তাপে,আরাধনায় আর্দ্র হই তোমাতে নিশ্বাসের কোমলতায়  'শুধু ভালবাসি তোমায়' তা জানো কি  তুমি?

★ বর্ষা★

 এসো, বর্ষা। কদম নিয়ে করি তোমার অপেক্ষা!  আষাঢ় তোমার জন্য কি য়ে আয়োজন  বৃষ্টি  না হয় দিলে কিছু, ক্ষানিকটা প্রয়োজন। কদমের সুবাদে হৃদ হয় ভেদ্য কদমবনে ঝারাবে কি বৃষ্টি?  হে আষাঢ়, এটুকুনই নৈবেদ্য।  এসো এসো, বছর ঘুরে তোমার প্রতিক্ষা, প্রতি প্রহরে। কদমের গন্ধে ভরে থাক মন চাই ঝুম বৃষ্টির সংমিশ্রণ।

★কৃষ্ণচূড়ার ভালবাসা★

কোনো কুশল প্রশ্নে জিজ্ঞেস নয়,বাতাসে মাথা দুলিয়ে লাল কৃষ্ণচূড়া  আমায়  বললো, 'ভলবাসি তোমায়। চূড়ার মগ ডালটি কূর্ণিশ  জানিয়ে বলে,'তোমায় রোদ মাখা সকালে অভিবাদন!  উষ্ণ অধীর রশ্মির ফলা,আমায় আলোকিত করতে  বিকিরণ ছড়িয়ে দিলো চারপাশে। আমি হাসলাম,কিঞ্চিৎ,স্বচ্ছল! আর; আমি আমার উৎস খুঁজে পেলাম,অপূর্ব বাংলার চৌহদ্দিতে, লাল কৃষ্ণচূড়ার ভালবাসায়। -লিমা। ১১.০৭.২০২৩

★নারী কোথাও আটকে থাকে না★

#নারী কিসে আটকায় ফেসবুক পেইজে কোন গর্ধব প্রশ্নটা করেছেন? তাদের উদ্দেশ্যে- >নারী নয় মাস দশদিন সন্তান গর্ভেধারন করে।দুই বছর বুকের দুধ পান করায়। পাঁচ বছর শৌচকার্য করেদেয় আপনার মত গবেটকে। আপনার ১২ বছর অর্থাৎ হাত-পা,শরীর শক্ত না হওয়া পর্যন্ত আপনার পশ্চাৎপদে লেগে থাকে। আপনার তারুণ্য যেন অন্ধকারে ডুবে না যায় তাই ১৮ বছর পর্যন্ত আপনাকে সুরক্ষা দেয়। এরপর যখন স্বপ্নদোষ হয় আপনার জন্য আরেকজন নারী এনে আপনাকে তার ছায়াতলে আটকিয়ে দেয়।  আাশাকরি বুঝতে পেরেছেন,নারী কখনো আটকায় না। নারীকে অত কিষ্কিন্ধা অতিথি মনে করবেন না কারণ প্রত্যেক নারী তার নিজ গৃহে রাজর্ষী । *ক্ষমা করো মোরে,নহে প্রার্থণা;ভয়কে করিবে জয়,বঙ্গ ললনা* -আরাবী নূর ইয়াসমীন লিমা  আয়কর আইনজীবী  ০৯.০৮.২০২৩

★তোমার শূণ্যতায়★

বিশাল শূন্যতা নিয়ে ফিরে এসেছিল যখন তৃষ্ণার্ত মন নিঃস্ব প্রদ্বীপ জ্বালিয়েছিল আমায়,অবিচল ক্ষণে ক্ষণ।  বেঁচে ছিল ভালোবাসা,নক্ষত্রের আলোকিত স্মৃতিতে যা দিয়েছিলে,বহু বছর আগে হিয়ায় গেঁথে। তোমার শূণ্যতা নিয়ে, ব্যথিত হৃদয় পাখিদের সাথে  উড়ে বেড়াত অসীম নীলীমায় মেঘেদের অলি পথে । তোমার না থাকা জুড়ে যে দীর্ঘশ্বাস! ভাদ্রের সুনসান বিকেলে ভাবাতো অবিরত,  কি দিয়েছিলে! আজ তা হয়েছে গত। বেঁধো না কখনো আর মায়ার জ্বালে তোমারে ভুলিয়াছি আপন খেয়ালে! নিভৃত নিকুঞ্জে মর্মর গুঞ্জরিত হয় যখন অসময়ে  ভালবাসা যত ছিল আজি গিয়েছে গৌন হয়ে তোমার ব্যস্ততা আমায় সরায়েছে যত দূরে নিশ্চুপ হয়েছে যত ব্যকুলতা ছিল হৃদয় জুড়ে। -লিমা

★অসামান্য দক্ষতায় বলীয়ান নারী★

গভীর অনুভবে আত্মার চাওয়াগুলোকে লাপাত্তা করে অবিরাম হাসিমুখের ব্যবহারে অব্যাহত থাকে যে নারী  তাকে পড়তে পারবে তার সাধ্য কি তোমার! কারনে-অকারনে নারীকে উপলব্ধিহীন হেয় করতে, সেই অধিকার কোথা' থেকে আসে তোমার?  নারীর অসাধারণত্ব খুঁজে বের করতে না পারা তোমার অভ্যাসগত ব্যর্থতা। নারীর পরম আন্তরিকতা, গভীর সংবেদনশীলতা আর উদ্যোমস্রোতে মেশানো আবেগ অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা আছে তোমার? টাকা আর ক্ষমতা থাক আর না থাক তোমার বেসামাল তর্জন-গর্জনে নারী সর্বদা ম্রিয়মাণ।নারী আশাহত হয় ঠিক তোমার কাছেই।আবার জেগে উঠে, জ্বলে উঠে নিজস্বতায়,প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে সুনিয়ন্ত্রণে স্ব কাজে। নারীর জটিল ধৈর্যের অসামান্য দক্ষতা উপলব্ধি করার সেই মানসিকতা নেই কেন তোমার? -লিমা

★তুমিময় একটি দুপুরবেলা ★

মস্তিষ্কের স্নায়ুতে তোমার ভাষ্কর্য গড়ে উঠে কিন্তু  বিবর্ণ স্বপ্ন তা গুড়িয়ে দিয়ে যায় অবলীলায়।  আবার তোমার মিথ্যাচার ভালবাসায় স্পন্দিত হয় হৃদপিণ্ড।তুমি বোঝ;কি মন্ত্র আছে তোমার মুখের ভাষায়! তোমার অযাচিত মিথ্যে ভালবাসা নীল অক্টোপাসের মত খাবলে খায় আমার মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড,অখন্ডিত দেহ।  অখন্ড পৃথিবীর বুকে খন্ড খন্ড বিরহ ঝড়ে পড়ে আমার হৃদয় চুইয়ে চুইয়ে। গোগ্রাসের আগ্রাসনে আহত হই।  টিপ টিপ রক্ত ক্ষরণ হয় আহত মনের জ্যান্ত দেহ হতে। সময়ের বিবর্তনে ইতিহাস সাক্ষী থাকবে হয়তো,তোমার প্রবঞ্চণায় আমি কতটা আহত হই সর্বদা।  গহীন নক্ষত্র আমায় আলোকিত করে ; আর আমি নিমজ্জিত হই তোমার গভীর অন্ধকারে।  সাথী হলো অনুশোচনার এক তৃপ্ত দুপুর শুধু তুমিময়।  ভুলে গেছ কি?বারে বার স্মৃতিচারণ হয় নির্ঘুম নিশীথে সংগোপনে,বড় নিরবে। -লিমা

★ অনুভবে আবেশে★

সমুদ্রের নীল জলরাশি উত্তাল ঢেউয়ের তালে উপচে আসে আমার সম্মুখে তোমার ভালবাসার উপত্যকা নিয়ে। ভালবাসার বিচিত্র বৈভব উদ্যানে তুমি একচ্ছত্র মালী! অনুপম হস্তে সাজিয়েছ আমায়, তোমার মনের অলৌকিক ফুলদানিতে! স্নায়ুযুদ্ধে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ হতে দেখেছ কি? তোমার প্রেমকোমল উদার হৃদ্যতা এতই বিশাল যা এই রক্তক্ষরণের জন্য যথেষ্ঠ। তোমার একান্ত অনুভূতির কুসুম অনুভবে হারিয়েছি হিয়ার আবেশ সেই কবেই! যত প্রাপ্তী যোগ করে দেখি,এ যেন পৃথিবী সমভারী। এই আনন্দের উন্মাদনায় কতটা বিভোর সে তুমি বুঝবে না। অনুকম্পা নয়,কাল থেকে মহাকাল সবই এমনই থাকুক না প্রিয়! -লিমা।

★মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে★

কাব্য করে বলা নয়,অসম্ভবে সম্ভব তুমি! তোমার গভীরতায় জলতরঙ্গ বয়ে যায় শব্দহীন তোমায় অকারণও মনে রাখবে চিরকাল,যে ভালবাসে হিমেল অনলে পুড়বে হায়েনার হিংস্রতা যারা ইর্ষায় আহত সর্বদা।  রাতের অন্ধকারে তাকিয়ে তুমি দিনের আলোকে খোঁজ,দিনের আলোয় দেখো রৌদ্রময় সূর্য।  তুমি দীপ্ত শিখা!  নিত্য আলোয় দেখি, বিধাতার সৃষ্টিসীমার অসীম সীমারেখায়  প্রিয় তোমায়। এইদিনে এসেছিলে ধরায় ১৭ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে ভাসাই তোমায়  জন্মদিনের শুভেচ্ছায়।  প্রিয় নেত্রী আজ জন্মদিন তোমার। -লিমা।

★প্রেম উন্মাদনা★

- ব্যাপক ভারী বৃষ্টি আমার হৃদ দুয়ারে ঝরে তুমি নেই কোথাও, ভিতর কিংবা বাইরে কোথায় আছ বলতে পারো?  যদি কাছে আসো আরও, দক্ষিণ দূয়ার খুলে দিবো তোমার আকাশ দেখবো বলে। বুকের মাঝে রাখবো তোমায়,তুমি আমার আপন হলে। নদী ভেঙে আসলে জোয়ার,আবার আমি হবো সোয়ার মাতাল  হওয়ায় উড়ো চুলে,হাত বুলাবো মনো ভুলে  তুমি আমার আকাশ হলে মুখ লুকাবো তোমার নীলে। এই আমি ঠিক বৃষ্টি এলেই, ডুব দেবো তোমার জলে।  বসুজ ঘাসে সরব হাঁটো, খামখেয়ালি একটু হেসে  তোমার পিছে হাঁটবো আমি,যদিও ঝড়ে যাই ভেসে। তেমায় আমি দিতে চাই,পৃথিবীর সব সাগর - নদী  নিরবতা ভেঙে, কোলাহল - সরোবরে একটু কাছে আসোই যদি। - হিহিহি বলেছ, কতকবার হাতের মুঠোয় হাত ভোরে শুনেছি,মৃদু হেসেছি, সবই ঠিক আছে;বলেছি, 'পাগল তোরে। -লিমা।

💚প্রভু💚

তব অসম্ভব সুচারু সৃষ্টির বিশালে অসীম পুঞ্জীভূত হৃদ মায়ায় তুমি আছ প্রভূ সর্বদা।  ভালোমন্দ-যাচাইয়ের বিচারদণ্ডে আমায় রেখো নির্ভেজাল  অহর্ণিশ,সদা।

★প্রশ্ন অবিরত★

হৃদয়-মস্তিষ্কের দ্বন্দ্ব মাঝে আমি বিহ্বল!  আঘাতের মৃতপ্রায় অনুভূতি হলো বুঝি অচল রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনুভব, আবেগ ভাগাভাগি গিয়েছ হয়ত ভুলে।  তোমাতে;সেই অন্ধ আজও, অতলে গিয়েছি তলে। স্নায়ুতন্ত্রের নিউরনে করেছ অজস্র ক্ষত,তোমারই সে দায়,তোমারই ব্যক্তিগত। মরে গেছে তোমার বিবেক -না কী তোমার নিকট আমিই মৃত! প্রশ্ন তোমায় অবিরত!  হয়তো প্রতিবাদ শেখা আঙুল তোমার দিকেই উঠবে, অসীম ক্ষমতায় বাঁধনি হৃদয়ের সেতু! কত অপেক্ষা উপেক্ষা করে,তোমার হাতে উঞ্চ হয়েছিল এ হাত, জ্বলেছিল হৃদ ধূমকেতু!  স্পষ্ট উচ্চারণে বলি তোমাকেই, এই শরতের নীলে  সমস্ত তুচ্ছকে তাচ্ছিল্য করে গভীর সরলতম রেখায়  প্রথম এঁকেছি তোমার অবয়ব! কোনো তন্ত্র মন্ত্রে নয়। তবুও ভুলেছ সবই, যা ছিল যত? প্রশ্ন তোমায় অবিরত!  -লিমা।

★অন্য মনস্ক ভাবনা কাজে বিপত্তিই ঘটায় না দায়িত্বেও ব্যঘাত ঘটায়★

>এগারোটায় কোর্টে ঢুকলাম। ১.৩০ মি. ডিসি অফিসে গেলাম। রেলওয়ে একোয়ারকৃত ভূমি হুকুম দখলের বরাদ্দকৃত (চল্লিশ লক্ষ) অর্থ স্থগিত আবেদন করেছিলাম এলএ তে (Land Acquisition Office).  >এডিসির (পারভেজ)সাথে দেখা করলাম। খুবই ভদ্রতার সাথে আমাকে বসিয়ে land Acquisition Officer  আকলিমা আক্তার কে ডেকে দায়িত্ব দিলেন খোঁজ নিয়ে উক্ত বিষয়ে আমাকে জানাতে। আমি ২.৫০মি.চেম্বারে ফিরে এলাম। >৪.১৮মিনিটে এল.এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান নামের একজন আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলো, আমি কি জানতে চাই?  মূলত ৮৬ শতাংশের প্রায় ২৬ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ করেছে আর ৮৬ শতাংশ সহ প্রায় ২২৫ শতাংশ নিয়ে দেওয়ানী মামলা চলছে। এতদসত্ত্বেও এই টাকা sanction হয়ে গেলো। এই কথা শুনে তো আমার মাথায় রক্ত উঠে গেলো। আমি মিজানুর রহমানের সাথে চিৎকার দিয়ে উঠলাম। আমি অভিযোগ দিয়ে আসার পরও এই টাকা sanction হয় কীভাবে? কে করেছে? তার নাম কী? আমার উচ্চ কন্ঠে একসাথে এত প্রশ্ন শুনে বেচারী চুপমেরে গেলো।  আচ্ছা  আপনার নাম কী বলেন। সে আমতা আমতা করে বললো, মিজানুর রহমান। ঠিক আছে আমি ফ্রি হয়ে আপনাকে পরে ফোন দিচ্ছি। বলে ফোন রেখে দিলাম। ...

★তোমায় স্মরি তৃপ্ত হৃদয় ভরি★।

তোমারি আরতি করি, ওগো স্বপ্ন - সহচর অন্তরালে জপি তোমারে, ধরা নাইবা দিলে দেহে, ছুঁয়ে যাও তবু মনটারে। যদি স্বপনে আসো, তবে স্বপনে পাই বারে বারে ওগো স্বপ্ন - সহচর প্রাণময়।   তুমি এসো মোর অসীম সীমারেখায় এসো গোপন, দূরন্ত কামনায়।  এসো প্রিয় একান্ত প্রেমে, প্রবল আগ্রহে সহস্রবার তোমারে স্মরি সুখ-স্মৃতির,তৃপ্ত হৃদয় ভরি। তোমায় ভেবে যে,হঠাৎ লাজে অকারণে  মুখ গুঁজি গো গোলাপ কুড়িঁর সনে। কি মায়ার মোহে জড়িয়েছ, নিরবতায় অবিরত তুমি, 'অপূর্ব দূরন্ত!  -লিমা।

★কুয়াশার মত অস্পৃশ্য★

কুয়াশার মত তুমি,  হাত বাড়িয়ে না যায় ধরা,না যায় ছোঁয়া। অথচ অনুভবের ছোঁয়ায় মধুর অনুভূতির শিহরণ জাগায় রুদ্ধহীন হৃদ প্রকৌষ্ঠে কবিগুরু বলেছিলেন, “যৌবনই ভোগের কাল বার্ধক্য স্মৃতিচারণের।” “কি পাইনি তারই হিসাব মেলাতে মন মোর নহে রাজি।” কিন্তু আমি বলি, 'কি পেলাম/কি পাইনি তার হিসেব কষতেই বেলা গেলো আজি।" আবার ভোগ!  স্মৃতিচারণ!  কিন্তু তবুও তোমার স্মৃতিচারণের সত্যটুকু কুয়াশার মত অস্পৃশ্য! -লিমা।

★শরতের দিবারাত্রি★

শরতের দুপুরের সোনালী রোদ মেতেছে উল্লাসে রোদের তীব্র খরস্রোতে, মৃদ হাওয়ায় সোনালী আমন ভাসে ধানের কচি ডগায় অপলক দেখি নান্দনিক শৈল্পিকতা আমার আমিত্বকে দেখি,দেখি সমার্থক অভিজ্ঞতা তপস্যার তুমুল ঘোরে, আমার আমিকে খুঁজি রৌদ্রময় দুপুরে। দুপুরের তপ্ত স্নানের বানে তীর্যক হারাই,প্রাণ জুড়ানোর সুপ্ত বাসনায়,বৃষ্টি বর্ষণের স্নানে। মাতাল নীলের অসীম নীলিমায় শুভ্র মেঘেদের ভেলা শুভ্রনীলে সমন্বয় করে,বনান্তরে কাশফুল করে খেলা শরতের সচ্ছ নির্মল নীলে,অনিন্দ্য সুন্দর সাদায়, গোধূলির লাল আবীরে ক্ষণে ক্ষণে মন হারায়, শান্ত প্রকৃতিঝিলের টলটলে জলে পদ্ম-শাপলার লুটোপুটি! সন্ধ্যা নামে ধরায় নিশীথ আঁধার নিয়ে, চন্দ্রকলায় জাগে হৃদয়ের খুনসুটি! 

★হৃদয়ে নিবিড় উত্তাপ★

অনুভূতির পংক্তিমালা সাজাই তোমায় নিয়ে, হৃদয়ের নিবিড় নিরবতায়,তোমায় ঘিরে অজানা স্বপ্ন বুনি।প্রচন্ডরকম  ভালবাসার দৌরাত্ম্যে আমায় হারাতে পারবে না কখনো জানো তো। কবি গুরুর ভাষায়, "যৌবনের শেষে শুভ্র শৎরকালের ন্যায় একটি গভীর প্রশান্ত প্রগাঢ় সুন্দর বয়স আসে যখন জীবনের শেষে ফল ফলিবার এবং শস্য পাকিবার সময়।” যদি এমন বয়স আসে তবে তখনো তোমায় হারিয়ে দেয়ার অপেক্ষায় থাকবো।ফল কিংবা শশ্য নিয়ে ভাববো না।অপরিময়, অসীম সীমারেখায় যোজন যোজন এগিয়ে দেখি বিশাল মরুভূমি।বিশাল শূন্যতায় দাঁড়িয়ে মনে পড়ে, রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, "ভালোবাসার থার্মোমিটারে তিন মাত্রার উত্তাপ আছে। মানুষ যখন বলে ‘ভালোবাসি নে’ সেটা হল ৯৫ ডিগ্রি, যাকে বলে সাব নর্মাল। যখন বলে ‘ভালোবাসি’ সেটা হল ৯৮.৪,ডাক্তাররা তাকে বলে নর্মাল।কিন্তু প্রেম জ্বর যখন ১০৫ ছাড়িয়ে গেছে তখন রুগি আদর করে বলতে শুরু করেছে ‘পোড়ারমুখি’, তখন চন্দ্রবদনীটা একেবারে সাফ ছেড়ে দিয়েছে। যারা প্রবীণ ডাক্তার তারা বলে এইটেই হল মরণের লক্ষণ।” কিন্তু আমার থার্মোমিটারে ঐ তিন মাত্রার উত্তাপও উতরে গিয়েছে এখন!